১৯৩০ সালের উত্তাল কলকাতা। বাতাসে বারুদের গন্ধ, আর আকাশে বিপ্লবের লাল আভা। চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের খবরে যখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভীত কাঁপছে, ঠিক তখনই খাস কলকাতার বুকে শুরু হল এক অন্য লড়াই। খোদ লালবাজারের দাপুটে পুলিশ ইনস্পেকটর অনির্বাণ রায়। আপাতদৃষ্টিতে সে ব্রিটিশ রাজের এক বিশ্বস্ত পাহারাদার, যার চালচলনে নিখুঁত সাহেবি কেতা। কিন্তু উর্দির আড়ালে সে এক ঠান্ডা মাথার শিকারি, যে নিজের হাতে তুলে নিয়েছে এক অদ্ভুত ও নির্মম বিচারব্যবস্থা। খোদ লালবাজারের দাপুটে পুলিশ ইনস্পেকটর অনির্বাণ রায়। আপাতদৃষ্টিতে সে ব্রিটিশ রাজের এক বিশ্বস্ত পাহারাদার, যার চালচলনে নিখুঁত সাহেবি কেতা। কিন্তু উর্দির আড়ালে সে এক ঠান্ডা মাথার শিকারি, যে নিজের হাতে তুলে নিয়েছে এক অদ্ভুত ও নির্মম বিচারব্যবস্থা। রাতের অন্ধকারে শহরের বুকে নেমে আসছে এক অজ্ঞাত ত্রাস। অত্যাচারী ব্রিটিশ অফিসারদের থেঁতলে দেওয়া লাশ উদ্ধার হচ্ছে ময়দান থেকে অন্ধকার গলিতে— যাদের একমাত্র ঘাতক একখণ্ড ভারী পাথর! লালবাজার যখন এই অজানা ‘স্টোন ম্যান’-এর খোঁজে হন্যে হয়ে বিপ্লবীদের খুঁজছে, অনির্বাণ তখন নীরবে খেলছে তার নিজস্ব দাবা খেলা। তার লক্ষ্য শুধু অত্যাচারী ব্রিটিশদের হত্যা নয়, বরং রঞ্জিত সান্যালের মতো প্রভাবশালী ও দুর্নীতিবাজ ব্যারিস্টার, চীনা মাফিয়া এবং খোদ লালবাজারের ওপরমহলের নোংরা চক্রকে ধ্বংস করা। কিন্তু ছায়ার সঙ্গে লড়তে গেলে নিজেকেও যে ছায়া হয়ে যেতে হয়! একদিকে তীক্ষ্ণধী সত্যান্বেষী অতুল বক্সীর সন্ধানী দৃষ্টি তার মুখোশ টেনে খুলতে চাইছে, অন্যদিকে মাফিয়াদের প্রাণঘাতী হুমকিতে খাদের কিনারে এসে দাঁড়িয়েছে তার নিজের স্ত্রী সুজাতা। কর্তব্যের উর্দি আর বিবেকের রক্তক্ষরণের মাঝে দাঁড়িয়ে অনির্বাণ কি পারবে তার শেষ চালটা দিতে? নাকি নিজেই আটকা পড়বে নিজের পাতা জালে?
![Raktopalash by Saswata Dhar [Hardcover]](http://versoz.co.in/cdn/shop/files/5CMFX8QWLHAT.jpg?v=1784667503&width=1445)